তারেক রহমানের মালয়েশিয়া-চীন সফর: সংসদে ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত
তারেক রহমানের মালয়েশিয়া-চীন সফর-এর অভূতপূর্ব কূটনৈতিক সাফল্যের স্বীকৃতি দিয়ে জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। শনিবার (২৮ জুন) বেলা ১১টার দিকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বাজেট অধিবেশনের শুরুতেই এই প্রস্তাব উত্থাপিত হয়।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এতে সমর্থন জানান। কণ্ঠভোটে সবার সম্মতিতে প্রস্তাবটি পাস হলে সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়ে উৎসাহ প্রকাশ করেন।
চীনের সঙ্গে ১৭টি এমওইউ, মালয়েশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক আরো মজবুত
মন্ত্রী মির্জা ফখরুল জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২১ থেকে ২৬ জুন মালয়েশিয়া ও চীন সফর করেন। সরকার গঠনের মাত্র চার মাসের মাথায় এই সফরে চীনের সঙ্গে ১৭টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং উভয় দেশের সর্বোচ্চ পর্যায়ে দীর্ঘ ও ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এই সফরে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানেও চীনের ইতিবাচক ভূমিকার আশ্বাস পাওয়া গেছে। পাশাপাশি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে মালয়েশিয়া ও চীন উভয়ই সহযোগিতা আরো বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু বলেন, পারস্পরিক সম্মান, পারস্পরিক স্বার্থ এবং কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের ভিত্তিতে পরিচালিত বাংলাদেশের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির যে দর্শন, এই সফর তা আবারও প্রমাণ করেছে।
বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান প্রস্তাবে সমর্থন দিয়ে বলেন, দেশের স্বার্থ সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত এবং সকল চুক্তি ও সম্পর্ক হওয়া উচিত পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে। তিনি সংসদকে সকল কার্যক্রমের মূল কেন্দ্রবিন্দু রাখার আহ্বান জানান এবং সরকারি ও বিরোধী উভয় পক্ষকে দেশ গঠনে সমন্বিতভাবে ভূমিকা রাখার তাগিদ দেন।

