ফাকুন্দো তেয়ো: ফ্রান্স-মরক্কো ম্যাচে বিতর্কিত রেফারি
ফাকুন্দো তেয়ো-কে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে ফুটবল বিশ্বে। ২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের উদ্বোধনী লড়াইয়ে মুখোমুখি হচ্ছে ফ্রান্স ও মরক্কো, আর এই হাইভোল্টেজ ম্যাচ পরিচালনার ভার পড়েছে এই আর্জেন্টাইন রেফারির কাঁধে। ম্যাচ শুরুর আগেই তার নিয়োগ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
গত মঙ্গলবার (৭ জুলাই) নিজেদের অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডেলে ফিফা নিশ্চিত করে, ফ্রান্স-মরক্কো ম্যাচের মূল দায়িত্বে থাকছেন তিনি। তাকে সহায়তা করবেন হুয়ান পাবলো বেলাত্তি ও গ্যাব্রিয়েল চাদে। চতুর্থ কর্মকর্তা হিসেবে থাকবেন দারিও এরেরা, আর রিজার্ভ সহকারী রেফারির ভূমিকায় দেখা যাবে ক্রিস্তিয়ান নাভারোকে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, নিয়োগপ্রাপ্ত পুরো রেফারিং প্যানেলই আর্জেন্টিনার।
নিরপেক্ষতা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
যেহেতু আর্জেন্টিনা এখনো শিরোপার দৌড়ে টিকে আছে, তাই ফ্রান্সের ম্যাচে আর্জেন্টাইন রেফারিং প্যানেলের উপস্থিতি নিয়ে সমর্থকদের মধ্যে সংশয় দেখা দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, এতে ম্যাচের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। যদিও এ নিয়ে এখন পর্যন্ত ফিফার পক্ষ থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা আসেনি।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কড়া মেজাজের রেফারি হিসেবে পরিচিতি আছে তার। ২০২২ সালে ট্রোফেও দে কাম্পেওনেসের ফাইনালে বোকা জুনিয়র্স-রেসিং ক্লাবের উত্তপ্ত লড়াইয়ে সংঘর্ষের পর একাই দেখিয়েছিলেন রেকর্ডসংখ্যক ১০টি লাল কার্ড, যা তখন বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দেয়।
একই বছর কাতার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কো-পর্তুগাল ম্যাচেও তার একটি সিদ্ধান্ত বেশ সমালোচিত হয়েছিল। ম্যাচের শেষদিকে মরক্কান ফরোয়ার্ড ওয়ালিদ চেদ্দিরাকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখিয়ে বহিষ্কার করেছিলেন তিনি, যা নিয়ে তখনো দ্বিমত তৈরি হয়েছিল।
চলতি বিশ্বকাপেও রেফারিং সিদ্ধান্ত ঘিরে একাধিক বিতর্ক হয়েছে ইতিমধ্যে। এমন প্রেক্ষাপটে ফ্রান্স-মরক্কোর মতো গুরুত্বপূর্ণ কোয়ার্টার ফাইনালে তার উপস্থিতি ম্যাচটিকে করে তুলেছে আরও আলোচিত।

